Menu

Tuesday, November 15, 2016

নিজের টাকা নিজেই হাতে পান। Bangladesh এ payza ই একমাত্র বেশি সুযোগ -সুবিধা দিচ্ছে।

payza account Tutorial
আমরা সবাই জানি যে অনলাইনে আয়কৃত টাকা উঠানোর ক্ষেত্রে পেপাল একটি শ্রেষ্ট কোম্পানী কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে বাংলাদেশে পেপাল নেই কিন্তু বাংলার দামাল ছেলেরা কারো উপর বরশা করে বসে থাকেনা । তারা পেপালকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছে  । বর্তমানে  পেপালের অনেকগুলো বিকল্প রয়েছে কিন্তু আমার মতে পেজা একটি সেরা বিকল্প কারণ পেইজা আপনাকে যে সুবিধা দিচ্ছে অন্য কোনো কম্পানি আপনাকে এত সুবিধা দিবে না। তাছাড়া অন্যান্য কোম্পানির তুলনায় পেজাতে সাশ্রয় রয়েছে । payza তে খরচ অনেক কম ।


Payza account থাকার সুবিধাঃ
*.payza account থাকলেঅনলাইনে আয়কৃত টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে তুলতে পারবেন।  বর্তমানে পেইজা একাউন্ট থেকে  বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক এর মাধ্যমে সাথে সাথেই টাকা তোলা যায় খরচ পরবে মাত্র ৫০ টাকা। অন্যন্য বাংক থেকেও টাকা তোলা যায় তবে একটু সময় লাগে এই যা।
*.অনালাইনে আয়কৃত টাকা ATM  বুথের মাধ্যমে তুলতে পারবেন । ( মাস্টার কার্ড দিয়ে )
*.একটি ইন্টারন্যাশনালমাস্টার  কার্ড পাচ্ছেন ।
*.payza account থেকে  payza account  তে টাকা পাঠাতে পারবেন ।
*.Bkash দিয়ে টাকা  যোগ করতে পারবেন ।
*.Bangladesh Comercial Bank  দিয়ে টাকা  যোগ করতে পারবেন ।
*.ডলারকে টাকা হিসেবে তুলতে পারবেন ব্যাংকের মাধ্যমে ।
*.payza accountএর ডলারকে টাকা হিসেবে ATM  বুথের মাধ্যমে তুলতে পারবেন ।*.মাস্টার কার্ডের মাসিক ও বার্ষিক কোনো চার্জ নেই ।
*.মাস্টার কার্ড দিয়ে ফেসবুকে ও গুগলে বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন ।
*.অনালাইনে শপিং করতে পারবেন ।
*.আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইটের জন্য Godaddy,namecheap etc থেকে ডোমাইন নিতে পারবেন ।
*.এডনেট ওয়ার্কথেকে আয়কৃত টাকা সহজে তুলতে পারবেনpayza account সাপোর্ট করে এমন কিছু এড নেটওয়ার্ক।

payza account খোলার নিয়মঃ 
ধাপ ১ । প্রথমে এই লিঙ্কে যান । যদি লিংকাটা ব্রেক করে তবে উপরের পেইজা ব্যনারে ক্লিক করেন। তারপরে Sign Up অথবা Get your Personal Account Now তে ক্লিক  করুন।
ধাপ ২ । তারপরে Country বাংলাদেশ দিয়ে  personal এ ক্লিক করুন।
ধাপ ৩।  salutation মানে উপাধি,আপনার  salutation যেটা সেটা দিবেন । First Name এ আপনার নামের প্রথম অংশ । Last Name এ   আপনার নামের  দ্বিতীয় অংশ। তারপরে আপনার ইমেল ও পাসওয়ার্ড দিন । 
Note :আপনার ন্যাশনাল আইডিকার্ড অনুযাই সবটা দিতে হবে ,না হয় আপনার payza Verification    হবে না।
ধাপ ৪ ।  তারপরে আপনার ইমেইলে একটা লিঙ্ক পাঠাবে ,লিঙ্কে ক্লিক করে ইমেইলটা ভেরিফাই করে নিবেন।
ধাপ ৫ ।ইমেইল Verify হলে নিচের মত একটা ইন্টারফেস আসবে  , তারপর বাম পাশ থেকে Complete Profile এ ক্লিক করে  আপনার আইডি কার্ড অনুযায়ী সকল তথ্য দিবেন ,আমি জানি  আপনারা   পারবেন তাই আর বিস্তারিত বললাম না । পেইজা একাউন্ট ভেরিফাই করার নিয়ম ( How To verify Payza Account )আপনার নামের পাশে একটা এরো চিহ্ন দেখতে পাবেন ওটাতে ক্লিক করলে একটা ফ্লাট মেনু দেখতে পাবেন তারপরে Verification এ ক্লিক করুন  >Document Validation  এ ক্লিক করুন ।National Id Card বা passport যেটা আপনার জন্য সুবিধা সেটা সিলেক্ট করুন । ওইটার নাম্বার দিন ।তারপরে NID এর পেছনের অংশ আপ্লোড করতে হবে । ফটোশপ দিয়ে ইডিট করতে পারেন । তারপরে আপনার ছবি আপ্লোড করতে হবে ,তবে সাবধান যার আইডি তার ছবি হতে হবে । সাবমিট করলে  payza account ২-৩ দিনের মধ্যে ভেরিফাই হয়ে যাবে ।
ভেরিফাই না হওয়ার কিছু কারণঃ 
*.অস্পষ্ট ডকুমেন্ট বা ছবি আপ্লোড করলে।
*.একাউন্টের নামের সাথে ডকুমেন্টের নাম মিল না থাকলে।
*.ভুল তথ্য বা ইনফরমেশান  দিলে সাধারণত উপরে উল্লেখিত কারণে payza accountভেরিফাই হয় না । আর যদি payza account ভেরিফাই না হয় আপনি লাইভ সাপোর্টে কথা বলেন । পেইজা প্রিপেইড কার্ড ( Payza prepaid card ) পেইজা আপনাকে অসাধারণ একটা সুবিধা দিচ্ছে । এই প্রিপেড কার্ডের মাধ্যমে অনলাইন উদ্যোক্তাদের ঝামেলার অবসান ঘটলো । মাত্র ১৬০০ টাকা খরছ করে আপনি payza account  থেকে একটি কার্ড পেতে পারেন । তাছাড়া মাসিক ও বাৎসরিক কোনো ফী নেই । কার্ডটি পেতে Wallet এক্লিক করুন , prepaid card এ ক্লিক করুন তবে তার আগে একাউন্টে $19.95 বা ১৬০০ টাকা এড করুন তারপরে পরবর্তী নির্দেশনা অনুসরণ করুন । আপনার বাসার ঠিকানায় কার্ডটি পেয়ে যাবেন ।


নিচের টিউটোরিয়াল গুলো দেখেন কাজে লাগতে পারে-
আমার  আমাদের পোস্ট গুলো দ্বারা যদি নূন্যতম ও উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে ফেসবুক,টুইটার,গুগল প্লাস এ আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। কারো কোনো সমস্যা হলে কমেন্ট এ জানান। আমি সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো

Sunday, November 13, 2016

বৃত্তবন্ধী ভালবাসা...

এবার থাম, লাগাম টা ধরে টান লাগা। যতবার নিজের কাছে পরাজিত হয়ে, মাথানত করে বুঝাতে ছেয়েছিস তুই কত মহান। 

বিপরীতে বুকে জমা হয়ছে কষ্ট।  সেই কষ্টের ভাগ কেউ কি নিতে এসেছে? কেউ কি একবারের জন্যও ওই পুড়া খাওয়া কপাল্টাতে হাত রেখে বুঝতে ছেয়েছে?  কতটা কষ্ট নিরবে মেনে নিয়েছিস। সামান্য,  সহজ খাতিরে, নিজেকে আবার ঠেলে দিতে এগিয়ে যাছিস অন্ধকার কূপে।  নিজেকে আর কত নিষ্টুরতর খেলার উপকরণ বানাবি? আর কত দ্বিধাময় স্বপ্ন নিয়ে শূণ্যে ভাসবি। তোর মত বুকা চোখা স্বপ্ন কেউ দেখে, বল? কয়েকবার তো মরি মরি করে বেচেছিস, তাও শিক্ষা হচ্ছে না।
তাই বলি থাম,  লাগামটা অন্যের হাতে দিস না, নিজেকে এতো নিবেদিত করিস না। দাবা খেলায় তুচ্ছ বিটেটিও সময়ে অনেক দাবির ভরসা হয়। সময়  নে, একমাত্র সময় ই বলতে পারবে। এটা ধূমক্ষেতু নাকি খসে পরা কোন নক্ষত্র। পতঙ্গের মত অালো দেখলেই ঝাপ দিয়ে নিজেকে বিলিন করতে এতো মরার টেকা কিসের তোর। যদি পরিক্ষিত হয়ে পরিশোধিত হতে পারে, তবেই টিক সব টিক...

মাথার ভিতরে প্রতিনিয়ত নানা চিন্তা

মাথার ভিতরে প্রতিনিয়ত নানা চিন্তার ঘুরপাক, মাঝে মাঝে কোন চিন্তার ইতি ঘটে সুন্দর তৃপ্তি নিয়ে



আর অনেক সময়ই চিন্তার মৃত্যু হয় দুশ্চিন্তায়। আমার সেই চিন্তা গুলোকে স্মৃতির পাতায় ধরে রাখার জন্যই এই ব্লগ করা। আমার সবচেয়ে ভাল অভ্যাস হলো কোন কিছু জানতে পারলে তা অন্য কারো সাথে শেয়ার করা। এই ব্লগের মাধ্যমেও আপনাদের সাথে আমার অভ্যাসের চর্চা করাই মূল উদ্দেশ্য।